আদিতি, সামনের সপ্তাহে তো মহন(রকির ছোট ভাই) এসে যাবে তার পর কি হবে ? ”
রকি মামার কথা স্পষ্ট শুনতে পারে মৌমিতা ৷কারন মৌমিতা পাশের ঘরে ছিল।আদিতি
দেবি হচ্ছেন মৌমিতা এর মা। আদিতি দেবী বলেন ” আরে মহনকে আমিই সামলে নেব
৷ ” দুজনে দুজনের শরীরে সোহাগ করতে থাকে৷ বেশ অপ্রতিভ লাগে মৌমিতার ৷ কিন্তু বেশ রোমাঞ্চ জাগে রকি মামার পুরুষাঙ্গ দেখে ৷ সরনের টা সে পরখ করে অনেক বার দেখেছে ,কিন্তু রকি মামার টা যেন হা করে সাপের মত গিলতে আসছে ৷ ”নিখিল বেশ ভালো ছেলে , দোকান আছে , নিজের ব্যবসা আছে এমন ছেলেকে হাত ছাড়া করে ? আমি সব কথা পাকা করে ফেলছি ৷ ” রকি মামার কথায় নিখিল ছেলেটাকে চিনতে পারে না মৌমিতা ৷ আদিতির বয়স৪২ হলেও শরীরের বন্ধন আগের মতই আছে ৷ এর আগে মৌমিতা আদিতি দেবীর খোলা বুক বহুবার দেখেছে কিন্তু আরেকটু বেশি নগ্ন দেখে একটুলজ্জা বোধ করলো সে ৷ কিন্তু রকি মামার পুরুষ স্পৃহা দেখে বেশ বিস্মিত হলো সে ৷ আদিতি দেবী আর রকি মামার সঙ্গম ক্রীড়া বেশ রোমহর্ষক জায়গায়
পৌছে গেল অচিরে ৷ মৌমিতা সেই দৃশ্য গুলো দেখতে দেখতে অন্তরে অন্তরে বেশ সিক্ততা অনুভব করলো ৷ হালকা কুয়াশা শীতের সন্ধায় এমন অনুভূতিতে নিজেকে যেন অসহায় মনে হলো তার ৷
পরনের চাদরের উপর থেকেই নিজের স্তন গ্রন্থী গুলো হাত দিয়ে দেখতেই রমনীয় ভালোলাগায় মৌমিতা মোহিত হয়ে পরে৷ এদিকে মন্টু আর রবি তার বার ভাতারি বোন কে উপভোগ করতে ব্যস্ত হয়ে পরে ৷ রকি যৌন কাতরতায় ভোগে ৷ যৌন সংসর্গে গালি দেওয়া , কুত্সার কথা বলা , আচরে নেওয়া , কামড়ানো, এমনকি পোন্দে লিঙ্গ চালনা করে তার যৌন ব্যাভিচারের নেশা মেটায় ৷ মৌমিতা এসব দেখতে অভ্যস্ত নয়৷ একটি লিঙ্গ তারই মায়ের গুদে ঢুকিয়ে মাকে পতিতার মত ফেলে চুদতে দেখে মৌমিতা কিছু সময়ের জন্য ভুলেই যায় সে কোথায় আর কেনইবা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে ৷ জানলার ফাঁকে দাঁড়িয়ে দেখতে দেখতে মৌমিতা নিজেই নিজের ভরা বেদানার মত মাই গুলো দু হাতে হাঁটকাতে থাকে ৷ রকি মামা আদিতি কে বিছানায় ফেলে কাটা পাথার মত চুদতে চুদতে খিস্তির ফুলঝুরি ছুটিয়ে চলে ৷ এত গালাগালির মানেই জানে না মৌমিতা
৷ ” দুজনে দুজনের শরীরে সোহাগ করতে থাকে৷ বেশ অপ্রতিভ লাগে মৌমিতার ৷ কিন্তু বেশ রোমাঞ্চ জাগে রকি মামার পুরুষাঙ্গ দেখে ৷ সরনের টা সে পরখ করে অনেক বার দেখেছে ,কিন্তু রকি মামার টা যেন হা করে সাপের মত গিলতে আসছে ৷ ”নিখিল বেশ ভালো ছেলে , দোকান আছে , নিজের ব্যবসা আছে এমন ছেলেকে হাত ছাড়া করে ? আমি সব কথা পাকা করে ফেলছি ৷ ” রকি মামার কথায় নিখিল ছেলেটাকে চিনতে পারে না মৌমিতা ৷ আদিতির বয়স৪২ হলেও শরীরের বন্ধন আগের মতই আছে ৷ এর আগে মৌমিতা আদিতি দেবীর খোলা বুক বহুবার দেখেছে কিন্তু আরেকটু বেশি নগ্ন দেখে একটুলজ্জা বোধ করলো সে ৷ কিন্তু রকি মামার পুরুষ স্পৃহা দেখে বেশ বিস্মিত হলো সে ৷ আদিতি দেবী আর রকি মামার সঙ্গম ক্রীড়া বেশ রোমহর্ষক জায়গায়
পৌছে গেল অচিরে ৷ মৌমিতা সেই দৃশ্য গুলো দেখতে দেখতে অন্তরে অন্তরে বেশ সিক্ততা অনুভব করলো ৷ হালকা কুয়াশা শীতের সন্ধায় এমন অনুভূতিতে নিজেকে যেন অসহায় মনে হলো তার ৷
পরনের চাদরের উপর থেকেই নিজের স্তন গ্রন্থী গুলো হাত দিয়ে দেখতেই রমনীয় ভালোলাগায় মৌমিতা মোহিত হয়ে পরে৷ এদিকে মন্টু আর রবি তার বার ভাতারি বোন কে উপভোগ করতে ব্যস্ত হয়ে পরে ৷ রকি যৌন কাতরতায় ভোগে ৷ যৌন সংসর্গে গালি দেওয়া , কুত্সার কথা বলা , আচরে নেওয়া , কামড়ানো, এমনকি পোন্দে লিঙ্গ চালনা করে তার যৌন ব্যাভিচারের নেশা মেটায় ৷ মৌমিতা এসব দেখতে অভ্যস্ত নয়৷ একটি লিঙ্গ তারই মায়ের গুদে ঢুকিয়ে মাকে পতিতার মত ফেলে চুদতে দেখে মৌমিতা কিছু সময়ের জন্য ভুলেই যায় সে কোথায় আর কেনইবা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে ৷ জানলার ফাঁকে দাঁড়িয়ে দেখতে দেখতে মৌমিতা নিজেই নিজের ভরা বেদানার মত মাই গুলো দু হাতে হাঁটকাতে থাকে ৷ রকি মামা আদিতি কে বিছানায় ফেলে কাটা পাথার মত চুদতে চুদতে খিস্তির ফুলঝুরি ছুটিয়ে চলে ৷ এত গালাগালির মানেই জানে না মৌমিতা
